সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার দীপ্ত প্রত্যয়ে দেশজুড়ে সাড়া জাগালো সম্প্রীতি উৎসব

সহাবস্থান ও ঐক্যের সম্মিলনে সম্প্রীতি চর্চাকে প্রসারিত করার প্রয়াসে বিজয়ের ৫০ বছরের প্রাক্কালে এসপিএল – এর ব্যাপক সাড়া জাগানিয়া ক্যাম্পেইন ‘সম্প্রীতি উৎসব’ কারণ বাংলাদেশ আমার ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক প্ল্যাটফরমের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে গত বছর ১ ডিসেম্বর। উৎসবটির লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের নাগরিক, বিশেষত তরুণদের মধ্যে রাজনৈতিক সহনশীলতা, সামাজিক, জাতিগত ও ধর্মীয় সম্প্রীতি, গণতান্ত্রিক ঐক্য ও পরমতসহিষ্ণুতার মূল্যবোধ সুসংহত করা। এই উৎসবের আওতায় সম্প্রীতির বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যে শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন, কবিতা লিখন, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় সারা দেশ থেকে ৫০০ এর বেশি প্রতিযোগী সাড়া দেন।

সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে সরকারী সংস্থা, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, রাজনৈতিক নেতা কর্মী, গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসমূহের আন্তরিক প্রচেষ্টায় উৎসবটি সফল হয়। উৎসবটি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সম্প্রীতি, সহিষ্ণুতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের চেতনাকে শাণিত করতে বিভিন্ন শিল্প মাধ্যমে সম্প্রীতিকে ফুটিয়ে তোলার একটি মঞ্চ হয়ে ওঠে। প্রতিযোগিতায় শিশু – কিশোর ও তরুণদের উৎসাহ ছিল বেশ চোখে পরার মতো। তাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে সফল হবে।

দেশের বিভিন্ন স্থান, ধর্ম, এবং জাতিগত পরিচয়ের মানুষদের অংশগ্রহণ এই উৎসবকে অংশগ্রহণমূলক ও বৈচিত্র্যপূর্ণ করে তোলে। বিশেষভাবে সক্ষম এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় শীর্ষ অবস্থানে জায়গা করে নেয়। একবিংশ শতাব্দীর নতুন প্রজন্মের চোখে বাংলাদেশের হাজার বছরের সম্প্রীতি ও সহনশীলতার সুদীর্ঘ ঐতিহ্যকে নতুন করে উজ্জীবিত করতে এই উৎসব গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *