করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত বাগেরহাট গড়তে সদা জাগ্রত আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র তরুণ নেতৃবৃন্দ

 

 

দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকেই দেশজুড়ে মাল্টি পার্টি এডভোকেসি ফোরামের সদস্যরা করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে আসছিলেন।

শুরু থেকে কাজটা মোটেও এতো সহজ ছিল না।

সাধারণ মানুষ মাস্ক পরতে চাইত না। সঠিক নিয়মে হাত ধোয়ার ব্যাপারেও গুরুত্ব দিত কম। ঠিক এরকম সময়ে  বাগেরহাট জেলা মাল্টিপার্টি  এডভোকেসি ফোরামের সদস্যরা জেলার স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে নো মাস্ক নো সেল ক্যাম্পেইন শুরু করেন। ফোরামের সদস্যদের রাজনৈতিক অবস্থান ভিন্ন। দলের বাইরের সদস্য বলে তাঁদের মধ্যে মতবিরোধ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই বিভাজন তাঁদের মধ্যে কখনই প্রতিবন্ধকতা  হয়ে ওঠেনি।

তাঁরা বাগেরহাটে   স্থানীয়  ব্যবসায়ী, ক্রেতা বিক্রেতাদের মাস্ক পরে কেনা – বেচায় অংশ নিতে  উদ্বুদ্ধ করেন।  শুধু তাই নয়, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক,  বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, মার্কেট ম্যানেজমেন্ট  কমিটি সবার অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করেন।    সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে বাগেরহাটে বিভিন্ন জনবহুল  স্থানে ফোরামের সদস্যরা সাধারণ মানুষের মাঝে তিন হাজারেরও বেশি মাস্ক  বিতরণ করেন এবং নো মাস্ক নো সেল স্টিকার বিতরণ করেন। তাঁদের এই আন্তরিক উদ্যোগের ফলেই  জেলা চেম্বার অব কমার্স স্থানীয় জনগণকে   স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ  করতে সম্বলিত একটি আনুষ্ঠানিক  নির্দেশনা জারি করেন।  এছাড়া এ বছর  ঈদুল আজহায় অস্থায়ী  কোরবানির পশুর হাটেও তাঁরা পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে তাঁরা ক্যাম্পেইন বুথ স্থাপন করেন ।

করোনার তৃতীয় ঢেউ যখন দেশের  দক্ষিণ – পশ্চিমাঞ্চলকে পর্যুদস্ত করে দিচ্ছিল, সেই সময়ে  বাগেরহাটে  এডভোকেসি ফোরামের সদস্যদের এই বিস্তর  সচেতনতা কার্যক্রম সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে  অনেকটাই ভূমিকা রেখেছিল বলা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *