নারী ও পুরুষের সমতাভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে গেলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে রাজনীতিতে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ অনিবার্য। দেশের জনগোষ্ঠীর অর্ধেকই নারী। জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে রাজনীতিতে নারীরা সমান কার্যকর অংশগ্রহণ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন সমাজের অন্যান্য অংশের সাথেও সম্পর্ক স্থাপনে ভূমিকা রাখে। এটা রাজনৈতিক দলগুলোকে তাঁদের কার্যক্রমে সমাজের সকলের অংশগ্রহণের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয় এবং নির্বাচনের আগে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে সহায়তা করে। নারী নেতৃত্ব দলীয় লক্ষ্যমাত্রা ও রুপকল্প উপস্থাপনের ক্ষেত্রে দলকে নতুন ভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি দেয়। নারীরা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সামাজিক প্রয়োজনগুলো ভালোভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হন তাই এটি রাজনৈতিক দলকে এমন নীতিমালা প্রণয়নে সহায়তা করতে পারে যা সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়। নারী নেতৃত্ব মূলত সহযোগিতামূলক ও অংশগ্রহণভিত্তিক উপায়ে কাজ করে তাই আন্তঃদলীয় সম্পর্ক আরও স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ হতে পারে। সক্রিয় নারী নেতৃত্ব দলকে নতুন ও আধুনিক রূপ দিতে পারে এবং দলের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখে। নারী নেতৃবৃন্দ দলকে জয়লাভে, কার্যক্রম পরিচালনায় এবং সাফল্য অর্জনে সহায়তা করতে পারেন। সরকার পরিচালনা ও আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে নারী নেতৃত্ব।
কারণ বাংলাদেশ আমার কারণ বাংলাদেশ আমার